Header Ads

Header ADS

ভূ-রাজনীতি (GEOPOLITICS) কেন গুরুত্বপূর্ণ?



ভূমিকাঃ 
কোন রাষ্ট্রের ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব বা ভূ-রাজনৈতিক হিসেব-নিকেষ তার বৈদেশিক নীতির সাথে সম্পৃক্ত। অর্থাৎ, রাষ্ট্রের ভৌগলিক অবস্থান নির্দিষ্ট করে দিবে রাষ্ট্র তার বৈদেশিক সম্পর্কের ছক কিভাবে সাজাবে। অন্যদিকে, বৈদেশিক নীতির গতিবিধি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে যে নিয়ামকগুলো আবশ্যক, ভূ-রাজনীতি সেক্ষেত্রে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করে।

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের কিছু জরুরী তত্ত্ব যেমনঃ লিবারিলিজম, রিয়ালিজম ও ইংলিশ স্কুল অব থট-  বৈদেশিক নীতির রূপরেখা বিশ্লেষণে শুরু থেকেই ব্যবহৃত হয়ে এসেছে। তবে, এই তত্ত্বের বাহিরে গিয়েও বৈদেশিক নীতির প্রকৃতি বিশ্লেষণে ভূ-রাজনীতিকেও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশারদরা সমানভাবে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। 

ভূ-রাজনীতি (GEOPOLITICS) ধারণাটি পাঠক ও বিশ্লেষকদের রাষ্ট্রের সাথে রাষ্ট্রের সম্পর্ক বা আচারণের নমুনা কেমন হবে তা অনুধাবনে অতি- আবশ্যক। যেমন ধরুন নেপাল। নেপাল ভৌগলিক কারণে এশিয়ার দুই আঞ্চলিক শক্তিঃ ভারত ও চীনের মাঝে অবস্থিত। এখন কোন বিশ্লেষক যদি নেপালের বৈদেশিক সম্পর্কের রূপরেখা বিশ্লেষণ করতে চায়, তবে তাকে অবশ্যয়ই প্রথমে নেপালকে একটি বাফার রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচিত করতে হবে, এবং মিলিয়ে দেখতে হবে কিভাবে এই দুই শক্তির প্রভাবে নেপালের সম্পর্ক ও আচারণের পরিবর্তনগুলো হয়। 

আজকের লেখন আপনাদের ভূ-রাজনীতি ধারণাটিকে সহজে বুঝতে সহায়তা করবে। লেখাটিতে যেসকল পয়েন্টগুলো থাকছেঃ 
  • ধারণাটির সংজ্ঞায়ন;
  • ভূ-রাজনীতির (Geopolitics) সাথে রাজনৈতিক ভূগোলের (Political Geography) মধ্যকার পার্থক্য;
  • ভূ-রাজনীতি ধারণাটি বিকাশের প্রেক্ষাপট; এবং
  • আন্তর্জাতিক সম্পর্ক অনুধাবনে ভূ-রাজনীতি ধারণাটির গুরুত্ব।  

ভূ-রাজনীতি (GEOPOLITICS) কী? 

Geography বা ভূগোল থেকেই Geopolitics এর Geo বা ভূ-রাজনীতির ভূ উপসর্গটি এসেছে। কিন্তু উপসর্গটি রাজনীতি শব্দের সাথে যুক্ত হওয়ায় রাজনীতি শব্দের পরিধি অনেকাংশেই বিস্তার ঘটেছে। অর্থাৎ, ভূগোল বলতে নির্দিষ্ট জায়গাকে নিয়ে আলোচনা বা বিশ্লেষণ বুঝালেও, Geo উপসর্গটি দিয়ে গোটা পৃথিবীকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে। 

অন্যদিকে, সমাজ বিজ্ঞানের নানান টার্ম বা ধারণার মতন 'Politics' টার্মটিকেও সহজে সংজ্ঞায়িত করা যায় না। সাব্জেক্টিভিটি বা আপেক্ষিকতার পরিবর্তনের সাথে সাথে টার্মটির সংজ্ঞায়নেও বৈচিত্র লক্ষ করা যায়। তবে আধুনিক সময়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা দুটি ধাপে (শক্তি / Power  ও শক্তি বন্টন / Power Distribution), বেশ কিছু প্রশ্নের আলোকে রাজনীতিকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। যথাঃ 

  • ক্ষমতা অর্জন কিভাবে হবে?  
  • ক্ষমতার বন্টন নীতি কেমন হবে? অর্থাৎ, কে ক্ষমতার অধিকারী হবে এবং কখন, কোথায় ও কিভাবে ক্ষমতার বন্টন হবে তার সিদ্ধান্ত কোথা থেকে আসবে?
মোটাদাগে এই দুই ধরণের প্রশ্নের মাধ্যমেই রাজনীতির প্রকৃতি নির্ণয় সম্ভব। 

অতএব ভূ-রাজনীতি বা  Geopolitics শব্দটি দিয়ে ভৌগলিক অবস্থানের নিরিখে (দেশীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক) ক্ষমতা অর্জন কিভাবে হবে? এবং সে ক্ষমতার বন্টনের বিবিধ ধারা কিভাবে যাবে তাকে বুঝানো হয়। 

হয়তো কথাটা একটু জটিল হয়ে গেছে। উদাহরণ দিলে বুঝতে পারবেন। ধরুন, বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব বিশ্লেষণের কথা বলা হল। সেক্ষেত্রে আমরা দুটি বিষয় দেখবো, প্রথমতঃ বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান কিভাবে তার আন্তর্জাতিক রাজনীতি বা আন্তর্জাতিক ক্ষমতা অর্জন ধারাকে প্রভাবিত করছে? দ্বিতীয়তঃ বাংলাদেশের অবস্থান কি তাকে ক্ষমতা বন্টনের সিদ্ধান্ত একান্তভাবে গ্রহণের সক্ষমতা দেয় কি না? 

প্রথম প্রশ্নটির ক্ষেত্রে বলা যায়, বাংলাদেশ তার ভৌগলিক অবস্থানের জন্য বৈদেশিক নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক ক্ষমতা বিন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র ভারত ও চীনের দ্বারা প্রভাবিত হয়। অর্থাৎ যেহেতু বৈদেশিক নীতি রাষ্ট্রের ক্ষমতা অর্জনের একটি পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষ নিয়ামক, সেহেতু আঞ্চলিক শক্তিগুলোর বিবেচনায় বাংলাদেশের ক্ষমতা অর্জনে প্রসার বা সংকোচন ঘটে।  

দ্বিতীয় প্রশ্নের ক্ষেত্রে বলা যায়, বাংলাদেশ তার ভৌগলিক অবস্থান ও সক্ষমতায় বিবিধ সুযোগ থাকা সত্বেও, ক্ষমতা বন্টনের সিদ্ধান্ত এককভাবে নিতে অপারগ। যেমনঃ বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্রসীমা থাকলেও, সক্ষমতার অভাবে এই সুযোগ বাংলাদেশ কাজে লাগাতে পারছেনা। সম্প্রতি ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলপত্র প্রণয়ন দেখে সহজেই অনুমেয় কিভাবে বাংলাদেশ বিশ্বের ক্ষমতাসীনদের আঁকা ছকের ভিতরে থেকেই তার ভূ-রাজনৈতিক কর্ম-পরিকল্পনা নির্ধারণ করছে।   

ভূ-রাজনীতি ও রাজনৈতিক ভূগোলের মধ্যকার পার্থক্য:

ভূ-রাজনীতি ও রাজনৈতিক ভূগোলের মধ্যকার পার্থক্য

উপরের চিত্রে ভূ-রাজনীতির (Geopolitics) সাথে রাজনৈতিক ভূগোলের (Political Geography) পার্থক্য দেখানো  হয়েছে। কিছু ফ্যাক্টর বা বৈশিষ্টের ভিত্তিতে এই পৃথকীকরণটি হয়েছে। সহজ ভাষায়, 
 
১। ভূ-রাজনীতির (Geopolitics) ভিত্তি যেখানে কোন রাষ্ট্রের অবস্থান ভিত্তিক আলোচনা শুরু করা; রাজনৈতিক ভূগোল (Political Geography) সেক্ষেত্রে কোন দেশের রাজনীতিকেই তাদের আলোচনার ভিত হিসেবে গ্রহণ করে থাকে।

২। রাজনৈতিক ভূগোলের (Political Geography) ভিত রাজনীতি হলে কি হবে, তাদের বিশ্লেষণ হল ভৌগলিক বিবিধ বিষয় নিয়ে। অপর দিকে, ভূ-রাজনীতিতে (Geopolitics), রাষ্ট্রের ভৌগলিক অবস্থান কিভাবে সে রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ধারা্কে প্রভাবিত করে সে আলোচনা করে থাকে।  

৩। ভূ-রাজনীতি (Geopolitics) একটি তত্ত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত যার বেশ কয়েকটি শাখা রয়েছে। অন্যদিকে, রাজনৈতিক ভূগোল (Political Geography) একটি বিজ্ঞান। ভূগোল কেন্দ্রীক বিভিন্ন গবেষণায় ব্যবহারিক টুল হিসেবে রাজনৈতিক ভূগোলের ব্যবহার দেখা যায়। 
 
৪।  যেখানে রাজনৈতিক ভুগোল (Political Geography) মাইক্রো লেভেল থেকে বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ করে, অন্যদিকে, ভূ-রাজনীতি (Geopolitics) ম্যাক্রো লেভেল থেকে রাষ্ট্রের পারস্পারিক রাজনৈতিক আচারণকে বিশ্লেষণ করে। 

ভূ-রাজনীতি (Geopolitics) ধারণাটির প্রেক্ষাপটঃ 

ভূ-রাজনীতি টার্মটির সূচনা কিভাবে হয়েছিলো সে ব্যাপারে কোন পরিক্ষিত ও পরিষ্কার ডকুমেন্ট আমরা পাই না। তবে ভূ-রাজনীতি নিয়ে যে প্রাচীন গ্রীসে  আলোচনা হত তা তৎকালীন গ্রীক লেখা থেকে আমরা জানতে পারি। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে ভৌগলিক অবস্থানের ব্যাক্ষাতেই শব্দটি প্রয়োগ লক্ষণীয় ছিলো। যেমনঃ এরিস্টটল পৃথিবীর আকৃতির ব্যাক্ষায় কিছুক্ষেত্রে ভূ-রাজনীতিকে তার লেখনিতে জায়গা দিয়েছিলেন। প্লেটো ভৌত ভূগোল বিশ্লেষণের এক পর্যায়ে ভূ-রাজনীতিকে ব্যাক্ষা করেছেন। এবং ভূগোলের জনক স্টারবো তার বিখ্যাত ১৭ খন্ডের দ্যা জিওগ্রাফিকা  বইয়েও ভূ-রাজনীতির দিকটি চিহ্নিত করেছিলেন।

তবে অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝিতে জো বোডিন ও মন্টেস্কু ভূ-রাজনীতিকে পরিবেশ বিজ্ঞানের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন। বিখ্যাত ইমানুয়েল ক্যান্ট পরবর্তীতে ভূ-রাজনীতিকে পরিবেশ বিজ্ঞানের চেয়ে রাজনৈতিক ভূগোলের অংশ হিসেবে আলোচনা করেন।  এবং সর্বশেষে রাজনৈতিক ভূ-গোলের সীমা ছাড়িয়ে স্বতন্ত্র ধারনা হিসেবে ভূ-রাজনীতির বিকাশ ঘটে।   

১৮৯৯ সালে জার্মান রাজনীতি বিশারদ রুডলফ কেজেলিনের হাত ধরেই ভূ-রাজনীতি টার্মটি প্রথম একাডেমিক দুনিয়ায় আত্ম-প্রকাশ করে। উনবিংশ ও বিংশ শতাব্দী ভূ-রাজনীতির স্বর্ণযুগ হিসেবে উল্লেখিত হয়। এই সময়ে ভূ-রাজনীতি তত্ত্বটি বিকশিত হয়; বেশ কিছু ভূ-রাজনৈতিক তত্ত্ব যেমনঃ হার্টল্যান্ড তত্ত্ব, রিমল্যান্ড তত্ত্ব ও মেইনল্যান্ড তত্ত্ব ইত্যাদি। পরবর্তীতে আমরা এই তত্ত্বগুলোকে নিয়ে লিখবো।


ভূ-রাজনীতি (Geopolitics) কেন দরকারি?


আধুনিক বিশ্ব রাজনীতিতে ভূ-রাজনীতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আমাদের জন্য অতি জরুরি হয়ে পড়েছে। কারণ আধুনিক বিশ্ব রাজনীতির বিভিন্ন পরিবর্তনের একটা বড় অংশই ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণকে অনুসরণ করছে।  যেমন ধরুনঃ
  • সন্ত্রাসবাদ 
  • প্রথাগত ও অপ্রথাগত নিরাপত্তা
  • সংঘাত ও সংঘাতত্তোর পরিস্থিতি
  • বিশ্বায়ন
  • আঞ্চলিক সংস্থা
  • শক্তি ভারসাম্য
  • মানবাধিকার ও সমতা ইত্যাদি বিষয়গুলো একদিক থেকে যেমন আন্তর্জাতিক রাজনীতিকে প্রভাবিত করছে; অন্যদিকে এই বিষয়গুলোর প্রকৃতি পরিবর্তনের একটা বড় অংশ কিন্তু ভূ-রাজনীতি কেন্দ্রীকই হচ্ছে।
আবারও যদি নেপালকে টানি, নেপাল তার ভৌগলিক অবস্থার জন্য প্রথাগত নিরাপত্তা সঙ্কটে ভোগে। এই সঙ্কটই তাকে চীন ও ভারতের মধ্যবর্তী একটি বাফার হিসেবে থাকতে বাধ্য করে। কারণ এই সঙ্কট নিরসনে যে মাত্রায় শক্তি নেপালকে অর্জন করতে হবে তা নেপালের নেই। তাই ভূ-রাজনৈতিক বিবেচনায় সে একটি বাফার শক্তি হিসেবে থেকে উভয় আঞ্চলিক শক্তির ক্ষমতার বন্টন থেকে কিভাবে সুবিধা আদায় করতে পারে সেগুলোই নেপালের বৈদেশিক নীতির মূল কাঁচামাল। 
 
ধরুন সিরিয়ার কথা। সিরিয়ার ভৌগলিক অবস্থান তাকে ইরাক ও আফগানিস্থানের পর অন্যতম সন্ত্রাসবাদে আক্রান্ত দেশ হিসেবে পরিগণিত করেছে। কারণ সন্ত্রাসের কোন নির্দিষ্ট সীমানা বা বর্ডার নেই। তাই কোন রাষ্ট্রের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সন্ত্রাসবাদকে উস্কে দিতে পারে। আবার অবস্থানগত কারণে সিরিয়া ইসরায়েলের পাশে অবস্থিত। তাই গোলান মালভূমিসহ, বিভিন্ন ভূ-রাজনৈতিক বিবেচনায় সিরিয়ার সাথে ইস্রায়েলের সংঘাত দেখা যায়। সম্প্রতি গোলান মালভূমি নিয়ে উভয়ের মধ্যে অস্থিতিশীল অবস্থা আবারও চাঙ্গা হয়ে উঠছে। অতএব মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণের উপর নির্ভর করে। 
 
আবার যদি বিশ্বায়ন বা আঞ্চলিক সহযোগিতাপূর্ণ সংস্থা তৈরির কথা বলি, সেক্ষেত্রেও আমরা ভূ-রাজনীতিকে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। যেমন ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের উত্থান রদকল্পে কুয়াদ (QUAD) গঠন ও দক্ষিন-পূর্ব ও দক্ষিন এশিয়ার দেশগুলোকে এই জোটকে অনুসরণ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের যে পরোক্ষ চাপ তার কেন্দ্রে কিন্তু রয়েছে আমেরিকার এশিয়া পিভোট ভূ-রাজনৈতিক নতুন সমীকরণ। 
 
সে সমীকরণে কিন্ত বাংলাদেশও নিজেকে অংশ করে নিয়েছে সম্প্রতি ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলপত্র প্রকাশ করার মাধ্যমে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বঙ্গোপসাগরের ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্বকে সামনে রেখে এই নতুন সমীকরণ থেকে কিছু লাভ করতে অথবা অন্তত ভারসাম্য (Status Que) অবস্থা বজায় রাখার চেষ্টা করছে। কারণ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তন পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্কের ধারাকে আগত সময়ে প্রভাবিত করবে। 
 
আশা করবো আপনারা সামান্য হলেও ভূ-রাজনীতি ধারনাটি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন, এবং বুঝতে পেরেছেন কেন ভূ-রাজনীতি একটি রাষ্ট্রের বহিঃ-আচারণকে প্রভাবিত করে। আগামী লেখায় আমরা ভূ-রাজনীতির থিউরিগুলো নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনার চেষ্টা করবো। ধন্যবাদ সবাইকে। 
 
 
লেখকঃ
বদিরুজ্জামান
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
 











No comments

Theme images by rajareddychadive. Powered by Blogger.